– চ্যাটার্জীবাবুর ব্যাপারটায় কি প্রোগ্রেস?
– স্যর, অলমোস্ট কম্প্লিট। ড্রাগ রোজই দিচ্ছি। কড়া ডোজের। আর এক সপ্তাহের মধ্যেই গুড নিউজ পেয়ে যাবেন।
– গ্রেট। মিসেস্ চ্যাটার্জীর সাথে কয়েকসপ্তাহ কন্টাক্টই করা যাচ্ছে না। ওনার সাথে দেখা করে পেমেন্টগুলো আদায় করে নেবে। আর কোনও ফার্দার প্রোগ্রেস হলে নিশ্চয়ই জানাবে।
– স্যর, অভয় দিলে একটি প্রশ্ন করতে পারি?
– করো না।
– স্যর, মিঃ চ্যাটার্জীর মার্ডারটা গুলি অথবা ছুরি দিয়েও তো করা যেতে পারতো। খামোখা এই ড্রাগের পথটার কারণ কি?
– মিসেস্ চ্যাটার্জীর রক্তে একটু প্রবলেম আছে। রক্ত দেখলেই নার্ভাস হয়ে পড়েন। তাই কন্ট্রাক্টটা দেওয়ার সময়ই বলেছিলেন যে উইদআউট ব্লাড কাজটি সারতে হবে। এছাড়া একটু একটু করে মৃত্যু দেওয়ারও রিকোয়ারমেন্ট ছিলো। সো, দিস ইজ দ্য বেস্ট ওয়ে।
– ওহ্…বুঝলাম স্যর। আপনার বুদ্ধির প্রশংসা করতেই হয়। কিন্তু কি লাভ বলুন, আপনার অবর্তমানে আপনার বুদ্ধিই বা আর কোন কাজে লাগবে?
– মানে? ঠিক বুঝলাম না…একি…পিস্তল বের করছো কেন?….তুমি আমায় মারবে?….আমি তোমার বস্…
– শাট্ ইয়োর ব্লাডি মাউথ আপ্! একদম মুখ কচকাবেন না।
– কিন্তু তুমি আমায় মারবে কেন?
– গুড কোশ্চেন। জানেন তো, আমি কোনওদিন ছুরি-কাঁচিই ধরিনি। বায়োলোজিতে প্র্যাকটিক্যাল করতাম না। আপনার দৌলতেই আমাকে আজ পিস্তল, ইঞ্জেকশন্ এইসব ধরতে হয়েছে। হ্যাঁ, আমিই ড্রাগস্ দেই। কড়া ডোজের। তবে, মিসেস্ ব্যানার্জীকে। চমকে গেলেন তো?
– তুমি…মানে…
– ঈশ্বরের খেলাও দেখুন, আমার প্রথম কেসটা তেই আপনি আমায় মিঃ ব্যানার্জীকে খুন করার সুপারি দিলেন। সত্যিই আপনার বুদ্ধির প্রশংসা না করে পারা যায় না।
– মিসেস…ব্যানার্জী…তো..
– হুম..মিসেস্ ব্যানার্জী আর কয়েকদিনের মধ্যেই…ফুঃ….
– কিন্তু তুমি কে?
– বুঝতে পারলেন না তো, আমিই মিঃ চ্যাটার্জী।
(ট্রিগার)