– থ্রো অফ্ রসগোল্লা।
– পাগল নাকি? ভয়াবহতাটা বুঝিস?
– খুব বুঝি। এটাই খানিক ডিফারেন্ট অ্যান্ড হেল্থ ফ্রেন্ডলি।
– তাই বলে রসগোল্লা? প্লিজ! ট্রাই সামথিং এল্স।
– দেন্, উমম্…কচুরি।
– ইম্পসিবল। এই সব জিভে জল আনা হ্যাবিটগুলো গিভ আপ করতে পারবো না বস্!
– বাট্, নিউ ইয়ার রিস্যোল্যুশন্-এ কিছু নতুন অভ্যেস শিরোধার্য করার সাথে কিছু গিভ আপ্ ও করতে হয়।
– তুই ফোর্স করলি বলেই তো নিলাম, ‘আরলি রাইজ’ অ্যান্ড ‘মর্নিং ওয়াক’! কিন্তু ‘রসগোল্লা’ আর ‘কচুরি’ গিভ আপ্? মাঠে মারা পড়ে যাবো রে!
– কিস্যু করার নেই। দিস ইজ দ্য নিয়ম।
– বলছি, আরও তো উপায় আছে, অল্টারনেটিভ?
– আছে বৈ কি! স্পটলাইটে লুঙ্গি পরে ডিস্কো ডান্স কর, কিংবা গড়ের মাঠে গড়াগড়ি খা।
– সারকাজম?
– ফুঃ! সারকাজম্ ব্যাপারটাই সারকাস্টিক। হনুমানদের মতো। কেউ বলে ভগবান, কেউ বলে হনুমান।
– ক্যাবলামার্কা যুক্তিতক্কো করিস না, প্লিজ।
– সরি, ‘ক্যাবলা’ নামে বাংলা অভিধানে কোনও শব্দ নেই।
– থামবি এবার?
– আগে ডিসাইড কর কি ছাড়বি?
– ইয়ে, প্র্যাক্টিক্যালি ভাবতে গেলে পুরোনো বছরটাকে তো এমনিতেই ছাড়ছি। আর তার সাথে পুরোনো ক্যালেন্ডার।
– আর?
– তোকে।
– সে তো কবেই ছেড়েছিস। চার বছর হয়ে গেলো।
– ইম্প্যাক্ট টাই আলাদা, তাই না! ফুচকার স্টলে লঙ্কার ইম্প্যাক্টের মতো। থার্টি ফার্স্ট ডিসেম্বরে ব্রেক আপ! ভাবা যায়!
– ইম্প্যাক্ট? অবশ্য, তাই বলতে পারিস।
– দুঃখ হয় নাকি?
– নাঃ! বছরগুলোই শুধু ঘোরে। ক্যালেন্ডার বদলায়। সময়ের মৃত্যু হয় না।



