– হ্যালো!
– মানিকবাবু?
– বলছি! আপনি?
– সে না হয় একটু পরে বলছি। আগে বলুন, কেমন আছেন? মানে…ইয়ে..মর্ত্যের মায়া ছেড়ে তো অনেকদিন হয়ে গেলো!
– দিব্যি আছি। গুণীজনদের সাথে সখ্যতা রয়েছে। আনন্দেই কাটাচ্ছি।
– আর কিছু প্রোগ্রেস?
– হুঁ..’ফেলুদা ইন আফটারলাইফ’ একটা উপন্যাস অন দ্য ওয়ে। প্রায় শেষ হয়েই এসেছে। এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হচ্ছে। অবিশ্যি, এখন থেকেই ‘ভূতবুক’, ‘ভূতস্টাগ্রাম’ এইসমস্ত স্যোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটেও প্রচার চালাচ্ছি। আশা করি ভালোই বিক্রিবাটা হবে।
বাই দ্য ওয়ে, আপনি কিন্তু আপনার নাম বললেন না।
– নিশ্চয়ই বলবো। এতো তাড়াহুড়ো কিসের?
তা বলছি, ‘গুপি-বাঘা’ নিয়ে কিছু ভাবলেন?
– চিন্তা চলছে। দর্শকদের ডিমান্ড, এবার গুপি-বাঘাকে একটা নতুন লুক্ দিতে হবে। যেমন ধরুন, গুপির পরনে ফেডেড জিন্স ও টি-শার্ট, বাঘার পরনে ক্যাজুয়াল টি-শার্ট এবং হাতে গিটার!
– বলেন কি মশাই? পাবলিক খাবে তো?
– আলবাৎ খাবে। কেন মশাই? অড লাগছে?
– তা তো একটু লাগছেই। মানে দেখুন, তামাম বাঙালী এতোদিন খোলধারী বাঘাকেই চিনে এসেছে। তা, এই ইম্প্রোভাইজেশন বাঙালীর সইবে তো?
– আগে আপনি কে বলুন তো মশায়!
– বলবো, বলবো। ধৈর্য ধরুন। আচ্ছা, ‘সোনার কেল্লা’ ছবিটার রিমেক করলে কেমন হয় বলুন তো?
– রিমেক?
– আজ্ঞে! যেমন ধরুন, ‘সোনার কেল্লা ২’ অথবা ‘আর একটি সোনার কেল্লা’!
– সে দেখা যাক। বাট্, আপনি এতো ইন্ট্রেস্টেড কেন?
– রোলটা পাওয়ার জন্য। বাঙালীর চোখে আর একবার ধরা দেওয়ার জন্য। হাতে গোণা কয়েকজনের গন্ডি ছাড়িয়ে আরও একবার খানিকটা বিস্তৃত হওয়ার জন্য।
– আপনি কে বলুন তো?
– আজ্ঞে রবি ঘোষ বলছিলাম স্যর!
(রবি ঘোষ স্মরণে…….)
