– এক্সাইটেড?
– প্রব্যাব্লি ইয়েস।
– এনিথিং ফর রিফ্রেশমেন্ট?
– ইয়েস, ব্লাড। ফ্রেশ, ইনোসেন্ট ব্লাড। অ্যান্ড আ লট্ অফ উন্ডস্।
– কুল। এতো উত্তেজিত হবেন না। প্রিপারেশন সব ঠিকঠাক হয়েছে তো?
– অল্ সেট, লর্ড। চোরাই গাড়ি, ফুয়েল লোডেড্, টাফ এক্সটিরিয়র। মানুষ খুনের পক্ষে এক্কেবারে আদর্শ।
– গুড্। কোনও অনুশোচনা হবে না?
– নট অ্যাট অল। তেরো বছর ধরে এই দিনটার অপেক্ষাতেই ছিলাম। টাইম ফর অ্যা ন্যুড রিভেঞ্জ।
– মদ্যপান?
– ওটাও কি নেসেসারি?
– দেখুন, রিভেঞ্জটা যখন নিচ্ছেন তখন রিভেঞ্জের মতোই নিন। সিম্পলি ইন দ্য সেম ম্যানার।
– তাই হবে।
– কাজটা কখন সারবেন?
– আজই। রাত আটটায় ব্যান্দ্রায় শ্যুট আছে। ওখানেই সবার সামনে খুন করবো। গাড়িটা পেলেও আমায় পাবে না। নো ট্রেস অ্যাট অল।
– গ্রেট প্ল্যান। গো অ্যাহেড। সকলকে আট অঙ্কের ব্যাঙ্ক ব্যালেন্সের অন্তঃসারশূণ্যতা বুঝিয়ে দিন। শো হিম দ্য ডিফারেন্স বিটুইন মানি অ্যান্ড লাইফ। প্রচন্ড যন্ত্রণায় কয়েক মুহূর্তের জন্য যখন কাতরাবে তখন ওর শরীরের রক্তও ওকে ঘেন্না করবে। হাইরাইজের ফ্ল্যাট, ভল্টবন্দী টাকা, চকচকে মার্সিডিস এসবের তখন কোনও ভ্যালুই থাকবে না।
– আমিও শান্তি পাবো, লর্ড। আমার পরিবারও কিছুটা হলেও আশ্বস্ত হবে। নিজের চোখে দেখবো ওর হৃদস্পন্দন বাড়তে, কাতরাতে, রক্ত বইতে, অ্যাম্বুল্যান্সের সাইরেন, অবশেষে হসপিটালের বেডে শুয়ে সিলিংয়ের দিকে পাঠানো শেষ নিঃশ্বাস, দ্যাট লাস্ট ব্রেদ্!
– নিশ্চয়ই দেখবেন। আফটার অল আমিও তো চাইতাম এই রিট্রিবিউশন্ টা হোক। বেস্ট অফ্ লাক।
– থ্যাঙ্ক ইউ, লর্ড।
